ভোক্তা পর্যায়ে কমেছে এলপি গ্যাসের দাম। প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২৭০ টাকা থেকে কমে ১ হাজার ২৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ ভোক্তা পর্যায়ে ২৯ টাকা কমেছে। এছাড়া অটোগ্যাসের দাম ৫৮ টাকা ১৫ পয়সা থেকে কমিয়ে ৫৬ টাকা ৭৭ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) গতকাল সংবাদ সম্মেলনে এ দাম ঘোষণা করে। গতকাল সন্ধ্যা ৬টা থেকে নতুন দর কার্যকর হয়েছে।
সংস্থাটি প্রতি মাসেই এলপিজির দাম নির্ধারণ করে। তবে বাজারে নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি না হওয়ার অভিযোগ আছে। এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় গৃহস্থালির কাজে।
এক বিজ্ঞপ্তিতে বিইআরসি জানিয়েছে, অক্টোবরের জন্য সৌদি আরামকোর প্রোপেন ও বিউটেনের ঘোষিত সৌদি সিপি প্রতি টন যথাক্রমে ৪৯৫ ডলার ও ৪৭৫ ডলার এবং প্রোপেন ও বিউটেনের অনুপাত ৩৫:৬৫ অনুযায়ী প্রোপেন ও বিউটেনের গড় সৌদি সিপি প্রতি টন ৪৮২ ডলার বিবেচনায় অক্টোবরের জন্য বেসরকারি এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম ভোক্তা পর্যায়ে সমন্বয় করা হলো।
এর আগে সেপ্টেম্বরে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ২৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া অটোগ্যাসের দাম ১৩ পয়সা কমিয়ে ৫৮ টাকা ১৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।
২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়।
প্রতি মাসে এলপিজির এ দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত। এ সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। আমদানিকারক কোম্পানির চালান (ইনভয়েস) মূল্য থেকে গড় করে পুরো মাসের জন্য ডলারের দাম হিসাব করে বিইআরসি।